পোস্ট গুগল ইনডেক্স সমস্যা ও সমাধান

পোস্ট গুগল ইনডেক্স সমস্যা ও সমাধান

একটি ওয়েবসা্ইটের পোস্ট সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স না হওয়া পর্যন্ত কোন ভাবেই সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিজিটর পাওয়ার আশা করা যায় না। আপনার ব্লগ পোস্ট যত দ্রুত গুগল সহ অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স হবে তত তাড়াতাড়ি সার্চ ইঞ্জিন হতে আপনার ব্লগ অর্গানিক ট্রাফিক পেতে সক্ষম হবে।

আজকের আমরা গুগল সার্চ ইঞ্জিনে কিভাবে পোস্ট দ্রুত ইনডেক্স করতে হয় সে বিষয়ে আলোচনা করবো। গুগল সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক আনতে পারলে আপনি সহজে সাক্সেস পেয়ে যাবেন।

সার্চ ইঞ্জিন ইনডেক্স কি ?

সার্চ ইঞ্জিনের তথ্য ভান্ডারে সমগ্র ইন্টারনেটের তথ্য মজুদ রাখার একটি বিশেষ প্রক্রিয়া হচ্ছে Indexing. সার্চ ইঞ্জিনে ডাটা সংগ্রহ করে রাখার প্রসেস গুলোর সর্বশেষ ধাপ হচ্ছে Index. সাধারনত সার্চ ইঞ্জিন যখন একটি ওয়েবসাইটের ডাটা তাদের তথ্য ভান্ডারের মজুদ রাখার সকল প্রক্রিয়া শেষ করে তখন একটি ওয়েব পেজ এর তথ্য সম্পর্কে পুঙ্খানু জানার জন্য এবং সেই ওয়েব পেজের গুনগত মান বিশ্লেষণ করে সার্চ র‌্যাংক নির্ধারণ করে সার্চ এলগরিদমে সাজিয়ে রাখার কাজটি Indexing এর মাধ্যমে করে থাকে।

তবে এই পুরো কাজগুলো কোন মানুষের দ্বারা করা হয় না। এই প্রক্রিয়াটি গুগল বট/রোবট দ্বারা করানো হয়। গুগল বট হচ্ছে এক ধরনের সফটওয়ার। এই বিষয় নিয়ে আমরা আমি অন্য দিন ক্রমান্বয়ে আলোচনা করব। কারণ Index সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারনা নিতে হলে ইনডেক্সিং এর পূর্বের ধাপগুলো সম্পর্কে জানতে হবে।

ক্রলিং কি?

সার্চ ইঞ্জিন ক্রলার হচ্ছে এক ধরনের সফটওয়ার। গুগল এটিকে সার্চ ইঞ্জিন বট, রোবট ও স্পাইডার নাম দিয়েছে। এই ক্রলার বা বট প্রতিনিয়ত অনলাইনের সকল নতুন ‍ও পুরাতন ব্লগ/ওয়েবসাইটের লিংকে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করে। এক কথায় ক্রলার হচ্ছে অনলাইন হতে বিভিন্ন ব্লগ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনা সংগ্রহকারী সফটওয়ার।

সার্চ ইঞ্জিন ওয়েব ক্রলার প্রথম অবস্থায় একটি ব্লগ ভিজিট করে পোস্টের সম্পূর্ণ আর্টিকেল ও বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারনা নেয়। তারপরও এনালাইজ করে পোস্টগুলো Index করার জন্য ডাটা সেন্টারে পাঠিয়ে দেয়। গুগল বট সফটওয়ার টি পুনরায় একটি পোস্ট ভালো ভাবে স্ক্যান করে পোস্ট সেই সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা নিয়ে সেটির সার্চ র‌্যাংকিং নির্ধারণ করে ডাটা সেন্টারে র‌্যাংক অনুসারে সাজিয়ে রাখে।

সর্বশেষে কেউ যখন কোন একটি কীওয়ার্ড লিখে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে তখন সার্চ ইঞ্জিন তাদের তথ্য ভান্ডার হতে সার্চ কৃত কীওয়ার্ড এর র‌্যাংক করা পোস্টগুলো ধারাবাহিকভাবে সার্চ রেজাল্টে শো করে। সার্চ ইঞ্জিনে রেজাল্ট পেজে পোস্ট শো করানোর ধারাবাহিক প্রক্রিয়াটি করার ক্ষেত্রে গুগল অনেক ধরনের র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর বিশ্লেষণ করে। সবগুলো ফ্যাক্ট বিশ্লেষণ করে সার্চকারীকে সবচাইতে সঠিক, উপযুক্ত ও ভালোমানের পোস্ট সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজে ধারাবাহিকভাবে প্রদর্শন করে।

কিভাবে পোষ্ট দ্রুত ইনডেক্স করবেন ?

আমি একদম শুরু থেকে সবকিছু বলবো। পোস্টে অনেক জানা বিষয়ও থাকবে যাতে নতুন যারা ব্লগিং করছে তাদের সমস্যা না হয়।

স্টেপ -০১ – robot.txt

এটা আপনার সাইটে থাকা আবশ্যক। এটার কমান্ডের মধ্যে “User agent: *” এই লেখাটা ঠিক রাখতে হবে। এখানে অনেকে * উঠিয়ে দিয়ে google search console দেয়। এখানে * না দিলে Bing বা Semrush বট আপনার সাইটে আসতে পারবে না। ফলে বিং, ইয়াহু দুইটাতেই ইনডেক্স হবে না। (বিং আর ইয়াহুর সার্চ রেজাল্ট একই)। আপনি robot.txt generate করার পর এখানে আপনি কোন কিছু করবেন না। সোজা সাইটম্যাপে সাবমিট করবেন + ব্লগারের সেটিংসে Custom robot.txt তে সেইভ করবেন। সাইটের পোস্ট ৫০০+ হয়ে গেলে তখন এই কমান্ডের শেষে max-results=500 এটা 1000 করে দিবেন।

স্টেপ -০২- Custom robots header tags

  • Home page tags:- All & noodp এই দুইটা অপশন সিলেক্ট করে সেইভ করবেন।
  • Archive and search page tags: noindex & noodp এই দুইটা অপশন সিলেক্ট করে সেইভ করবেন। এখানে noindex কেন দিতে হয় অনেকে জানেন না। অনেকে দেখবেন পোস্ট দেয় খুব ভালো SEO করায় তার সাইট গুগলে সার্চ করলে প্রথম আলো, বিবিসি এর মতো মেইন টাইটেলের নিচে সাইটের আরও কিছু লিংক শো করে।

    তারা মূলত noindex অপশন অফ রাখছে অথবা আগে অফ ছিল ওইসময় গুগল বট Archive পেইজকে/ ক্যাটাগরি ক্রাউল করে গিয়েছে। এগুলোর রেজাল্টই মূলত কয়েক মাস শো করে এবং ল্যান্ডিং পেইজ হিসেবে কাজ করে। তবে কেউ চাইলে ব্লগারে schema code ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পোস্ট শো করাতে পারে। সেটা আলাদা বিষয়। এটা noindex না রাখলে বড় ধরণের বাজে ইফেক্ট পড়তে পারে সাইটে। কারণ আপনার ক্যাটাগরি ইনডেক্স করতে গিয়ে ক্রাউলিং বাজেট নষ্ট হবে ফলে পোস্ট ইনডেক্স করবে না। তাই অনেকে এটা noindex দিয়ে রাখতে বলে।
  • Post and page tags: All & noodp এই দুইটা অপশন সিলেক্ট করে সেইভ করবেন।

এখানে আপনি সব সেটিংস আপনার সাইটে এভাবে সেইভ করে রাখলে আপনার সব পোস্ট এই ভাবেই বটকে ইনডেক্স করতে বলবে।

স্টেপ -০৩ঃ গুগল সার্চ কন্সোলে সাইট সাবমিট

একটি নতুন ব্লগ এবং ব্লগ পোস্ট গুগল সার্চ ইঞ্জিনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য Google Search Console অত্যান্ত কার্যকরী একটি টুলস। গুগল সার্চ কনসলে আপনার ব্লগের সাইটম্যাপ সাবমিট করে রাখলে গুগল আপনার ব্লগটি সম্পর্কে খুব সহজে ধারনা পেয়ে যাবে এবং সেই সাথে গুগল বট আপনার ব্লগটিকে দ্রুত Crawl ও Index করে নিবে।

প্রত্যেকটি সার্চ ইঞ্জিনে সাইটম্যাপ সাবমিট করার টুলস রয়েছে। আপনি অবশ্যই সবগুলো সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ব্লগের সাইটম্যাপ সাবমিট করে রাখবেন। আপনার ব্লগ পোষ্ট তাড়াতাড়ি সার্চ ইঞ্জিনে Index হওয়ার জন্য অবশ্যই Google, Yahoo এবং Bing ওয়েবমাষ্টার টুলে সাইটম্যাপ সাবমিট করে রাখবেন।

স্টেপ -০৪ঃ সাইটম্যাপ

আপনার সাইটের অবশ্যই সাইট ম্যাপ থাকতে হবে। গুগল বা বিং যে ক্রলার সাইটে আসুক না কেন প্রথমে আপনার robot.txt কমান্ড দেখে এরপরেই আপনার সাইটম্যাপ খুঁজে। সাইটম্যাপ থাকলে বট সহজেই বুঝতে পারবে আপনি নতুন কী পোস্ট দিয়েছেন, পুরাতন কোন পোস্ট আপডেট করেছেন। অনেকে url inspection দিয়ে মনে করেন পোস্ট ইনডেক্স হয়ে গেছে। এটা দেওয়ার অর্থ আপনি গুগলের বটকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আসবে কিনা সেটা ক্রাউলারের সিদ্ধান্ত।

স্টেপ -০৫ঃ ভালো মানের কন্টেন্ট

একটি পোষ্ট দ্রুত Index হওয়ার পূর্ব শর্ত হচ্ছে ভালো মানের ইউনিক আর্টিকেল লিখা। আপনি যখন কন্টেন্ট লিখবেন তখন এই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন যে, আপনার কন্টেন্ট শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিনে Index হওয়ার জন্য নয়, বরং পাঠকদের ধরে রাখার জন্য কোয়ালিটি সম্পন্ন আর্টিকেল লিখবেন।

অনেক লোক আছে যারা Keyword, Competitions Research না করে আর্টিকেল পোস্ট করে। তারা ভাবে এসব না করেই আর্টিকেল পোস্ট করলে বেশী ভিজিটর আসবে এবং সার্চ ইঞ্জিনে ভালো র‌্যাংকিং পাবে। যা আসলে ভূল।

আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনার ব্লগিং করার উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ট্রাফিক বৃদ্ধি করা নয়। আপনার উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্লগে সবসময় সর্বস্তরের পাঠকদের ধরে রাখা। যাতে করে ভিজিটররা বার বার আপনার ব্লগ পড়ার জন্য ভিজিট করে। আপনি যখন ভালোমানের আর্টিকেল লিখবেন এবং ভিজিটররা আপনার ব্লগ পোস্ট বেশী পরিমানে পড়বে তখন সার্চ ইঞ্জিন বট অবশ্যই আপনার পোস্ট খুব দ্রুত Crawl করার মাধ্যমে Index করে নিবে।

স্টেপ -০৬ঃ নিয়মিত পোস্ট করা

একটি ব্লগের Crawling Rate বৃদ্ধি করে পোস্ট খুব দ্রুত Index করানোর ক্ষেত্রে নিয়মিত পোস্ট পাবলিশ করার বিষয়টি খুব ভাল কাজ করে। আপনি যদি প্রতিদিন একটি করে পোস্ট পাবলিশ করতে পারেন তাহলে সার্চ ইঞ্জিন বট প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও আপনার ব্লগ ভিজিট করবে এবং আপনার নতুন পোস্ট ইনডেক্স করবে।

আপনার ব্লগে মাসে একটি বা দুটি পোস্ট শেয়ার করে কোনভাবে ব্লগের Crawling Rate বৃদ্ধি করতে পারবেন না। এ ধরনের লম্বা সময় গ্যাপ নিয়ে পোস্ট শেয়ার করলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার পোস্ট ইনডেক্স করতেও দীর্ঘ সময় নেবে। তবে আপনি সপ্তাহে ২/৩ টি পোস্ট শেয়ার করে Crawling and Indexing রেট বৃদ্ধি করতে পারেন।

এ ক্ষেত্রে আপনাকে একটি ধারাবাহিকতা রক্ষা করে পোস্ট শেয়ার করতে হবে। আপনি সপ্তাহের প্রথম তিন দিনে ৩ টি পোস্ট শেয়ার করে বাকী দিনগুলোতে পোস্ট না করে ৪/৫ দিন পর পোস্ট শেয়ার করলে ভালো ফলাফল পাবেন না।

প্রতি সপ্তাহে ৩ টি পোস্ট শেয়ার করার ক্ষেত্রে ১ দিন অন্তর অন্তর অথবা ২ দিন অন্তর অন্তর পোস্ট পাবলিশ করবেন। তাহলে সার্চ ইঞ্জিন বট আপনার পোস্ট করার গ্যাপ সম্পর্কে ধারনা পেয়ে নির্ধারিত সময়ে ব্লগে ভিজিট করবে এবং পোস্ট Index করে নিবে।

স্টেপ -০৭ঃ ব্যাকলিংক

আপনার সাইটের নিশ অনুযায়ী ভালো মানের ব্লগের সাথে আপনার ব্লগের Backlinks তৈরি করে নিতে পারলে আপনার ব্লগের যে কোন নতুন পোস্ট খুব দ্রুত Index হয়ে যাবে। কারণ ভালোমানের ব্লগ গুলোতে সার্চ ইঞ্জিন বট সবসময় ভিজিট করে।

এ ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন বট ঐ ব্লগের পোস্ট ভিজিট করার সময় আপনার ব্লগের কোন Url ঐ ব্লগের সাথে লিংকিং করা পেলে ঐ ব্লগ হতে আপনার ব্লগের লিংক থ্রো করে আপনার পোস্টটিতে চলে আসবে এবং পোস্টটি দ্রুত ইনডেক্স করে নিবে।

আপনার ব্লগের যে সমস্ত পুরাতন পোস্টগুলি সার্চ ইঞ্জিনে Index হয়েগেছে এবং যে সমস্ত পোস্টে বেশী ট্রাফিক পাচ্ছেন সেই পোস্টের সাথে নতুন পোস্টটির Internal link তৈরি করেও নতুন পোস্ট দ্রুত Index করিয়ে নিতে পারেন। এ ছাড়া আরও কিছু উপায়ে আপনার ব্লগের ব্যাকলিংক বৃদ্ধি করতে পারেন। যেমন-

  • Guest Posting
  • Blog Commenting
  • Forums Posting
  • Interlink Blog Posts
  • Audio Content
  • Video Content
  • PDF Submission
  • Submit RSS feed to RSS Directories
  • Write Awesome content and others will love to link back

স্টেপ -০৮ঃ সোস্যাল শেয়ার

সম্প্রতি সময়ের জন্য Social Share হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যে কোন পোষ্ট করার পরে আপনার পোষ্ট টি বিভিন্ন Social কমিউনিটি পেজ কিংবা গ্রুপে শেয়ার করতে পারেন। এর ফলে আপনার পোষ্টটি অনেক ভিজিটরের কাছে সহজেই পৌছে যাবে এবং ভিজিটররাও বুঝবে যে, এটি একটি নূতন পোষ্ট। 

তাছাড়া সামাজিক যোগাযোগের কিছু সাইট যেমন- Facebook, Twitter, Instagram, Pinterest, YouTube. এগুলিতে শেয়ার করার মাধ্যমে Google Search Engine সহজে আপনার লিংকটি পেয়ে যাওয়ার সম্ভবনা তৈরি হয়।

স্টেপ -০৯ঃ ওয়েবসাইট স্পিড

সম্প্রতি 2021 সালে গুগল এই বিষয়টির উপর খুব বেশী গুরুত্ব দিচ্ছে। কারন টেকনোলজি যত উন্নত হচ্ছে মানুষের চাহিদা ও রুচি আরো উন্নত হচ্ছে। এক সময় অনলাইনে ব্লগের পরিমান ছিল খুব কম বিধায় যে কোন ধরনের ব্লগ হলে মানুষ তার প্রয়োজন মেঠাতে সেই ব্লগে ভিজিট করত, কিন্তু সম্প্রতি অনলাইনে ব্লগের পরিমান ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে মানুষ তার প্রয়োজনীয় সকল তথ্য অনলাইনে সহজে পেয়ে যাচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে একজন ভিজিটর কোনোভাবে স্লো গতির ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে চায় না। সেই বিষয়টি বিবেচনায় সার্চ ইঞ্জিন একটি ব্লগ Crawl করার পর সেটি Speed ভালো না হলে সহজে Index করে না। কাজেই ব্লগের Crawling and Indexing রেট বৃদ্ধি করার জন্য অবশ্যই ব্লগের Load Time ঠিক আছে কি না যাচাই করে নিবেন।

স্টেপ –১০ঃ AMP অপটিমাইজেশনঃ

AMP HTML হচ্ছে গুগল সমর্থিত একটি Open Source Project, যা একটি ওয়েবসাইটের Content-কে যে কোন ধরনের মোবাইল ডিভাইসে দ্রুত লোড নিতে সাহায্য করে। একটি মোবাইল ডিভাইসের মধ্যে AMP যে কোন ওয়েবসাইটকে একটি দ্রুত লোড নিতে সক্ষম। AMP মোবাইল First Index গুগল Ranking এর জন্য বড় একটি ফ্যাক্ট হিসেবে গুগল নিজেই ঘোষনা করেছে।

সম্প্রতি গুগল শুধুমাত্র মোবাইল ভার্সনের জন্য আলাদা একটি বট তৈরি করেছি, যেটি শুধুমাত্র মোবাইলের জন্য আলাদাভাবে পোস্টগুলো ইনডেক্স করে। সে জন্য মোবাইল ভার্সনের ক্ষেত্রে পোস্ট দ্রুত Index করানোর জন্য অবশ্যই আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইট-কে মোবাইলের জন্য Responsive সহ AMP অপটিমাইজ করে নিবেন।

স্টেপ –১১ঃ থিম/ টেমপ্লেট

আমরা অনেকে আধুনিক ডিজাইনের থিম ব্যবহার করে থাকি। যে গুলোতে অনেক হিজি-বিজি অবস্থা। মোবাইল বা ইউজার ফ্রেন্ডলী নয়। স্টাইলিশ ভেবে ব্যবহার করে থাকি। কিন্ত গুগল সিম্পল কিছু চায়।

যাতে ভিজিটররা বিব্রত বোধ করবে না। কাজেই আমাদের কোন থিম ব্যবহারের পূবে তা চেক করা উচিত, যে থিমটি মোবাইল বা ইউজার ফ্রেন্ডলী কি না।

এছাড়াও কিছু সমস্যা

  • ভালোমানের Internal & External link পোস্ট দ্রুত ইনডেক্স হতে সাহায্য করে।
  • গুগল সার্চ কন্সোল এ আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে Error খোজে পেলে এ ধরনের সমস্যা করবে। এ ক্ষেত্রে Google Search Console একাউন্ট হতে বিষয়টি যাচাই করতে পারেন।
  • ব্লগের এড্রেস পরিবর্তন করা। ব্লগের এড্রেস পরিবর্তন করলে পুরাতন কনটেন্ট আবার ইনডেক্স হতে দীর্ঘ সময় নিতে পারে।
  • Webmaster Guide Line অনুসরণ না করে আর্টিকেল পালিশ করলে।

5 Comments on “পোস্ট গুগল ইনডেক্স সমস্যা ও সমাধান”

  1. অনেক উপকার হলো ইপোস্টের মাধ্যমে। সামনে ভাই আরও ভাল মানের পোস্টের আশায় থাকলাম।
    ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবো না।

    1. নিয়মিত ওয়েবসাইট টি ভিজিট করবেন আশা করি ভাল কিছু তথ্য পাবেন। ধন্যবাদ।

  2. খুবই গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট। অনেক উপকার হলো পোস্টের মাধ্যমে

Leave a Reply

Your email address will not be published.