বাংলায় এসইও চেকলিস্ট (SEO Checklist) | আপডেট লিস্ট 2022

বাংলায় এসইও চেকলিস্ট SEO Checklist

আপনারা অনেকে সম্পূর্ণ বাংলায় এসইও চেকলিস্ট খুঁজে থাকেন যা থেকে আপনি অনেক কিছু জানতে পারবেন এবং তা ফলো করলে আপনার সাইট গুগলে রাঙ্ক বাড়াতে সাহায্য করবে।

আমি কিছু গুরুপ্তপূর্ণ 33 টি পয়েন্ট একত্রিত করে সহজ ভাবে বাংলায় এসইও চেকলিস্ট তৈরী করেছি যা আপনাদের কাজে লাগবে। বিশেষ করে নতুনদের জানা অপরীহার্য। তাহলে চলুন বিস্তারিত আলোচনা করি:

Table of Contents

বাংলায় এসইও চেকলিস্ট ২০২২

এসইও একমাত্র উপায় যা আপনার ওয়েবসাইটটি রাঙ্ক ও অধিক পরিমানে ট্রাফিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। আমরা অনেকে অন পেজ এসইও কে সর্বাপেক্ষা বেশি গুরুপ্ত দিয়ে থাকি। কিন্তু অফ পেজ বা টেকনিক্যাল কোন টারই গুরুপ্ত কম নয়। তাই আমরা একটা ওয়েবসাইটের শুরু থেকে শেষ অব্দি গুরুপ্তপূর্ণ পয়েন্টস গুলো নিয়ে আলোচনা করবো।

1. ব্রান্ড্যাবল ডোমেইন ব্যবহার করুন

কোন ওয়েবসাইট রাঙ্কিয়ের জন্য কাস্টম (ব্রান্ড্যাবল) ডোমেইনের বিকল্প নেই। আবার অনেকে আছেন ওয়েবসাইট বলতে শুধুমাত্র .com কেই বুঝেন। .com ছাড়াও .info, .org, .net, .xyz ইত্যাদি ডোমেইন আছে। তবে ভিজিটররা .com ডোমেইনকে বেশি ট্রাস্ট করে। সুতরাং আমি আপনাদের .com ডোমেইন ব্যবহারের জন্য পরামর্শ প্রদান করবো।

একটা সময় ছিল যখন ব্লগস্পট ডট কম দিয়েও রাঙ্ক সম্ভব হত, কিন্তু সম্প্রতি অনেক বেশি কম্পিটিশন + গুগল আপডেটের কারনে এ বিষয়টি বেশ কঠিন হয়ে গেছে। কাজেই বিষয়টি সহজ করার জন্য ব্লগিং শুরু করার পূর্বে একটি ভালমানের কাস্টম ডোমেইন কিনে নেওয়া উত্তম হবে।

2. গুগল সার্চ কনসোল এবং বিং ওয়েবমাস্টার টুল সেট আপ


গুগল সার্চ কনসোল হল একটি অপরিহার্য টুল যা ডোমেইন ভ্যারিফাই + সাইটম্যাপ প্রধানের মাধ্যমে আপনাকে, সাইটের পারফরম্যান্স দেখতে সহায়তা করে। সেই সাথে প্রচুর ডেটা প্রদান করে এবং আপনার সাইটের অর্গানিক ট্রাফিক বাড়াতে সহায়তা করে। এটি ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গুগল সার্চ কনসোল

বিং ওয়েবমাস্টার টুলস সেটাপ করাও জরুরী, এটিও অর্গানিক ট্রাফিক বৃদ্ধি করে। এই সমস্ত-গুরুত্বপূর্ণ টুলগুলি আপনাকে সার্চ টার্ম এবং কীওয়ার্ডগুলি দেখাতে সহায়তা করে, যেগুলির জন্য ভিজিটররা আপনার সাইটটি সার্প এ খুঁজে পাচ্ছে।

আপনি গুগল সার্চ কনসোল এবং বিং ওয়েবমাস্টার যেটাই ব্যবহার করেন না কেন আপনাকে সাইটম্যাপ তৈরী করতে হবে। সাইটম্যাপের উদ্দেশ্য হল সার্চ ইঞ্জিনগুলিকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করা যে, কোন পেজগুলি ক্রল করা উচিত এবং কোনটি প্রতিটির ক্যানোনিকাল সংস্করণ।

সাইটম্যাপ কেবলমাত্র ইউআরএলগুলির একটি তালিকা যা আপনার সাইটের মূল বিষয়বস্তু নির্দিষ্ট করে তা নিশ্চিত করে যে এটি ক্রল করার জন্য উপযুক্ত এবং তালিকা করা হয়েছে।

Google বিভিন্ন সাইটম্যাপ ফর্ম্যাট সমর্থন করে, তবে XML সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। আপনি সাধারণত https://www.domain.com/sitemap.xml-এ আপনার সাইটের সাইটম্যাপ পাবেন।

সাইটম্যাপ

আমাদের নিয়মিত গুগল সার্চ কনসোল এবং বিং ওয়েবমাস্টার টুল চেক করা উচিত।

আমরা সর্বদা গুগল সার্চ কনসোল এবং বিং ওয়েবমাস্টার টুল ইরর/ত্রুটিমূক্ত রাখবো।

কীভাবে গুগল সার্চ কনসোল ডোমেইন ভ্যারিফাই ও সাইটম্যাপ সাবমিট করতে হয় তা নিচের ভিডিও থেকে দেখে নিতে পারবেন।

3. গুগল এনালিটিক্স সেট আপ করুন

গুগল অ্যানালিটিক্স হল একটি বিনামূল্যের মার্কেটিং অ্যানালিটিক্স টুল যা ব্যবহার করে আপনি দেখতে পারবেন- কতজন লোক আপনার সাইটে ভিজিট করছে, তারা কারা এবং তারা কীভাবে বা কোন মাধ্যমে আপনার সাইট ভিজিট করতেছে।

গুগল এনালিটিক্স

4. এসইও প্লাগইন ইনস্টল এবং কনফিগার করুন

আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেসকে আপনার সিএমএস হিসাবে ব্যবহার করেন তবে, এটিকে আপনার স্মার্ট ফোনের মত ব্যবহার করতে পারবেন, স্টোরেজ পর্যাপ্ত থাকলে আনলিমিটেড সফটয়ার ব্যবহার করা যায়। সহজ ভাবে- এটি কাস্টমাইজ্যাবল ও থিম, প্লাগিন সহ অন্যান্য সফটয়ার সহজে ব্যবহার করা যায়।

আপনার ওয়েবসাইটের আর্টিকেল গুলোর এসইও স্কোর পর্যবেক্ষন করতে Rank Math প্লাগইন ইনস্টল এবং কনফিগার করতে হবে। তারা আপনাকে কিছু নির্দেশনা প্রদান করবে যা ফলো করে সঠিকভাবে আপনার সাইট অপ্টিমাইজ করতে পারবেন।

নিচে কয়েকটি এসইও প্লাগিন উল্লেখ্য করা হলো। তবে আমার বাংলায় এসইও চেকলিস্ট এ আপনাকে Rank Math প্লাগইন ব্যবহারের জন্য পরামর্শ রইলো।

  1. Rank Math
  2. Yoast SEO
  3. All in One SEO
  4. SEOPress
  5. The SEO Framework

5. আপনার robots.txt ফাইলে আপনার সাইটম্যাপ উল্লেখ করুন।

আপনার সাইটের জন্য একটি Robots.txt ফাইল তৈরি করুন। যদি আপনি Rank Math প্লাগইন ইনস্টল এবং কনফিগার করেন তাহলে এটি অটোমেটিক তৈরী হবে। খুব সহজভাবে, আপনার সাইটের robots.txt ফাইলের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন ক্রলারদের নির্দেশ করানো যায়। যেমন- চাইলে এখান থেকে আপনি যে কোন পেজ ব্লক করতে পারবেন, যা গুগল কিংবা ভিজিটররা দেখতে পারবে না।

robots.txt

আপনি নিচের লিংকটি ব্যবহার করে আপনার সাইটের robots.txt ফাইলটি খুঁজে পেতে পারেন।

https://www.domain.com/robots.txt

6. ম্যানুয়াল অ্যাকশন সতর্কতার জন্য সার্চ কনসোল চেক করুন

ম্যানুয়াল অ্যাকশনগুলি সাধারণত গুগলের এর ওয়েবমাস্টার নির্দেশিকা লঙ্ঘন বা ম্যানিপুলেট করার সুস্পষ্ট প্রচেষ্টার কারণে হয়, এতে ব্যবহারকারীর তৈরি স্প্যাম, স্ট্রাকচার্ড ডেটা সমস্যা, আনন্যাচারাল লিঙ্ক, থিন কন্টেন্ট, হিডেন টেক্সট ইত্যাদি আপনি সার্চ কন্সোলে দেখতে পাবেন যে, আপনার সাইটটির উপর কোন ম্যানুয়াল অ্যাকশন আরোপ করার ফলে সাইটটি নেগেটিভ ভাবে এফেক্টেড হয়েছে কিনা।

খুব বেশি সাইট ম্যানুয়াল অ্যাকশন দ্বারা প্রভাবিত হয় না। তবে সতর্কতা বিকল্প কিছু নেই। এটি আপনি সার্চ কনসোলের ম্যানুয়াল অ্যাকশন ট্যাব থেকে চেক করতে পারেন।

ম্যানুয়াল অ্যাকশন

আপনার সাইট ম্যানুয়াল অ্যাকশন পেলে আপনাকে জানানো হবে, কিন্তু আপনি যদি ট্রান্সলেট, রি-রাইট বা AI কন্টেন্ট ব্যবহার করে নিত্য নতুন প্রোজেক্টে কাজ করেন তবে এটি অবশ্যই আপনার মাথায় রাখা উচিত।

7. গুগল ইনডেক্স নিশ্চিত করুন

কোন পেজে রাঙ্কিং এর পূর্ব শর্ত হচ্ছে তা গুগল ইনডেক্স থাকা। আপনার ওয়েবসাইটের বেসিক এসইও কভার করার একটি অংশ হল নিশ্চিত করা যে, আপনার সাইটটি গুগল যেন ইনডেক্স করতে পারে। নিয়মিত এসইও ফ্রেন্ডলী কন্টেন্ট পাবলিশ করলে ইনডেক্সিং সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আপনার সাইটের পেজ গুলির নিয়মিত ইনডেক্সিং চেক করা উচিত।

প্রয়োজনে আপনি সাপ্তাহিক/মাসিক সাইট অডিট টুল ব্যবহার করতে পারেন এটি নিশ্চিত করতে যে, আপনার ওয়েবসাইটটি প্রকৃতপক্ষে ক্রল এবং ইন্ডেক্স হওয়ার উপযোগী এবং ইনডেক্স হচ্ছে।

অনেকে আছেন যে ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজ ইনডেক্স করাতে ব্যর্থ।

তারা ইন্ট্যান্ট ইনডেক্স প্লাগিন সেটাপ করে console.cloud.google.com এর এপিআই কি দ্বারা সার্চ কন্সোল এবং ইন্ট্যান্ট ইনডেক্স প্লাগিন সেটাপ করুন তাহলে আশা করা ইনডেক্স প্রবলেম হবে না। গুগল ইনডেক্স আরো নিশ্চিত করতে গুগল নিউজ ব্যবহার করতে পারেন। এটি অপেক্ষাকৃত ফলপ্রসু।

8. লো কম্পিটিশন নিশ বাছাই করুন

আমার মতে এটির উপর আপনার সফলতা নির্ভর করবে। সুতরাংআপনাকে সময় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা/যাচাই-বাছাই করে নিশ নির্বাচন করতে হবে।

লো কম্পিটিশন নিশ বাছাই করার সময় দেখতে হবে সার্পে কারা অবস্থান করছে। অনেক বড় বড় সাইট এড়িয়ে যেতে হবে। মনে করুন, আমি এখন Air Purifier নিশ বাছাই করলাম। তাহলে আমার সম্ভাব্য কিওয়ার্ড হতে পারে- Best air purifier for bedroom বা Best air purifier for home.

এখন এগুলোর চেক করতে হবে মোটামুটি ট্রেন্ড, সিমিলার কিওয়ার্ড গুলোর মোটামুটি সার্চ ভলিউম আছে এবং কিওয়ার্ড ডিফিকাল্টি কম। এছাড়াও লো কম্পিটিশন নিশ বুঝার আরোও কিছু উপায় হচ্ছে:-

  1. প্রথম পেজে ফোকাস কীওয়ার্ড তেমন কেউ ফিলাপ করবে না,
  2. অপেক্ষাকৃত বেশি নতুন সাইট গুলো থাকবে,
  3. সোশ্যাল মিডিয়া থাকবে,
  4. টাইটেল অগোছালো,
  5. অনুপযুক্ত মেটা ডিসক্রিপশন,
  6. কন্টেন্টে ইনফো কম বা মানসম্মত নয়,
  7. সোস্যাল এঙ্গেজমেন্ট নেই বা খুব কম,
  8. ব্যাকলিংক কম বা মানসম্মত নয় ইত্যাদি।

আমাদের নির্বাচিত নিশের প্রেক্ষিতে লো কম্পেটেটিভ নুন্যতম 50-100 কিওয়ার্ড খুজে পাওয়া এবং তা ব্যবহার করে কন্টেন্ট পাবলিশ করার মত সক্ষমতা বা সামর্থ থাকাটা বাঞ্চনীয়।

এখন আপনার যদি মনে হয় যে, কম্পিটিটর থেকে আপনি আরো ভালো কনটেন্ট পাবলিশ করতে পারবেন। সেই সাথে সোস্যাল এঙ্গেজমেন্ট ও মানসম্মত ব্যাকলিংক করতে পারবেন সেক্ষেত্রে আপনি ঐ নিশটি নির্বাচন করবেন।

9. লো কম্পিটিশন কীওয়ার্ড রিসার্স করুন

নিঃসন্দেহে কীওয়ার্ড রিসার্স ওয়েবপেজ রাঙ্কি এর পূর্বশর্ত । কীওয়ার্ড রিসার্স করার সময় আমাদের বেশি সার্চ ভলিউম এবং কম কম্পিটিশনের কিওয়ার্ড বের করতে হবে। সেক্ষেত্রে সর্ট কিওয়ার্ড গুলো অপেক্ষাকৃত বেশি কম্পিটিশন থাকে সুতরাং সার্চ ভলিউম আছে এমন লং-টেইল কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। সাধারানত লং-টেইল কীওয়ার্ড গুলোর কম্পিটিশন কম থাকে।

আপনার লং টেইল কিওয়ার্ডের মধ্যেও নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডটি আছে কি না সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখুন। কেননা গুগলে র‍্যাংক করানোর জন্য লং টেইল কিওয়ার্ডের মধ্যে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। আসুন তাহলে একটু চিন্তা করে দেখি।

  • ব্লগিং কি ?
  • ব্লগিং কাকে বলে ?
  • কীভাবে ব্লগিং শুরু করব ?
  • ব্লগিং করে কীভাবে উপার্জন করব ?
  • ব্লগিং করে উপার্জন করার টিপস গুলো কি কি ?

বুঝতেই পারছেন যে ব্লগিং কি ? শব্দটি এখানে নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড, আর বাকিগুলো হল লং টেইল কিওয়ার্ড। যার প্রত্যেকটির মধ্যে সরাসরি ব্লগিং শব্দটি আছে। এটা বুঝাও খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, সরাসরি ব্লগিং কি কিওয়ার্ডটি দিয়ে গুগলে র‍্যাংক করানো কষ্টকর হলেও, কীভাবে ব্লগিং শুরু করব ? বা ব্লগিং করে কীভাবে উপার্জন করব ? এই কিওয়ার্ডটি দিয়ে গুগলে র‍্যাংক করানো অপেক্ষাকৃত সহজ। 

উপরের নিশ নির্বাচনের তথ্য গুলো মাথায় রেখে আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার এসইও কৌশল লং-টেইল কীওয়ার্ড ভেরিয়েন্টের পাশাপাশি হেড টার্মগুলিকে লক্ষ্য করে। আপনি কোন হেড টার্ম টার্গেট করার পরিকল্পনা করছেন তা কিওয়ার্ডে যেন থাকে।

10. রিলেটেড কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন

কিওয়ার্ড রিসার্চের ক্ষেত্রে এই রিলেটেড কিওয়ার্ড বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কোন নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিলে সেই কিওয়ার্ডের সাথে আরো কিছু ধরনের শব্দ বা বাক্য লিখে মানুষ সার্চ দেয় সেগুলোও চলে আসবে।আর এগুলোই রিলেটেড কিওয়ার্ডে।

আপনি যদি সঠিক কিওয়ার্ডটি খুঁজে পেতে কষ্ট হয়ে থাকে তাহলে এই রিলেটেড কিওয়ার্ড খুঁজে বের করার মাধ্যমেও নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের গুরুত্ব বাড়িয়ে তুলতে পারবেন।

আপনি যদি আপনার নিশের পাশাপাশি সেই রিলেটেড কিওয়ার্ড গুলোও আপনার আর্টিকেলের মধ্যে রাখেন তাহলে গুগল খুব সহজেই বুঝে নিতে পারবে আপনার আর্টিকেলটি আসলে ঠিক কি ধরনের। কি কি তথ্য আপনার আর্টিকেলের মধ্যে রয়েছে। ফলে গুগলে রাঙ্ক করা সহজতর হবে। নিচের স্কিনসট টি দেখুন।

রিলেটেড কিওয়ার্ড

11. আপনার কম্পিটিটরদের সনাক্ত করুন

কীওয়ার্ড রিসার্স শুরু করার দ্রুততম উপায়গুলির মধ্যে একটি হল আপনার কম্পিটিটর হিসেবে সার্পে টপ পজিশনে আছে, তাদের খুজে বের করুন। আমার মতে, কম্পিটিটর রিসার্স করতে সময় ব্যয় হলে তাকে সময় নষ্ট করা বলা যাবে না।

Semrush ডোমেন ওভারভিউ টুলের মাধ্যমে আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং আপনার সেই কম্পিটিটরদের দ্রুত সনাক্ত করতে সক্ষম হবেন। যারা আপনার মতো একই জায়গায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

কম্পিটিটর সনাক্ত

12. আকর্ষণীয় টাইটেল নির্বাচন করুন

আকর্ষণীয় টাইটেল সার্প এ সর্বাধিক ক্লিক পেতে এবং আপনার কন্টেন্ট কে রাঙ্ক করতে গুরুত্বের সহিত সহায়তা করে। একটি কনটেন্ট এর মূল জিনিস টাই হচ্ছে টাইটেল। আপনার পোস্টটি কি বিষয়ের সেটা একটি টাইটেল এর মাধ্যমে আপনাকে বুঝাতে হবে।

আমার মতে, কন্টেন্টের টাইটেল হল প্রধান অন পেজ এসইও ফ্যাক্টর। কারণ কন্টেন্ট এর টাইটেল সার্চ ইঞ্জিন গুলি কে আপনার কন্টেন্ট এর বিষয়ে মানসম্মত ওভারভিউ দিয়ে থাকে।

আমার অভিজ্ঞতায়, ফোকাস কীওয়ার্ড টি টাইটেলে শুরুতে যত কাছাকাছি হবে, সার্চ ইঞ্জিনে এটির গুরুত্ব তত বেশি পাবে। টাইটেল হচ্ছে একটি কন্টেন্ট এর প্রাণ। আপনার কন্টেন্টটি ভিজিটরের কাছে কেমন জনপ্রিয়তা অর্জন করবে তা নির্ধারণ করে আপনার কন্টেন্ট এর টাইটেলের উপর।

ভিজিটররা যখন কোনো কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করে তখন সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম ১০ টি রেজাল্টের ভেতর যেটার টাইটেল সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় সাধারণত সেটাতেই তারা ক্লিক করে। তাই টাইটেলের দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে। আকর্ষনীয়, সুন্দর ও পারফেক্ট ভাবে টাইটেল ব্যবহার করতে হবে।

13. টাইটেল এ পাওয়ার ওয়ার্ড ব্যবহার করুন

টাইটেল কে আকর্ষণীয় করতে অবশ্যই টাইটেলে পাওয়ার ওয়ার্ড রাখুন। কেননা পাওয়ার ওয়ার্ড ব্যবহারের ফলে ভিজিটর এর আগ্রহ বাড়ে আর্টিকেলের ভেতরে ঢুকতে। পাওয়ার ওয়ার্ড হচ্ছে সেটাই যা মানুষ দেখলেই আকর্ষিত হয়ে আপনার সাইট ভিজিট করবে।

যেমন- আপডেট, গাইডলাইন, চেকলিস্ট, বিস্তারিত, পর্যালোচনা, টপ টেন, বেস্ট, টপ, নিউ, মোস্ট, এক্সক্লসিভ, ওয়ান্ডারফুল, এমাজিং ইত্যাদি। এসব দেখলে ভিজিটর রা সাধারণত আকর্ষিত হয় ফলে সাইটে ভিজিটর আসে এবং কন্টেন্ট রাঙ্ক করতে সাহায্য করে।

আমি আপনাদের সহজভাবে বোঝানোর জন্য Air Purifier নিশের কয়েকটি পাওয়ার ওয়ার্ড উল্লেখ্য করলাম:

  1. Best Air Purifier For Odor Elimination | Tested with Reputation
  2. Best Filterless Air Purifier | Silent and Low Maintenance
  3. Best Small Air Purifier for Bedroom | For Pleasant Sleep
  4. Best Ionic Air Purifier | Tested and Reviewed Personally
  5. The Best Quiet Air Purifier | Soundless & Affordable
  6. Best Air Purifier for Home | Peaceful Clean Air at Home
  7. Best Plug in Air Purifier | Effective & Affordable
  8. How to use Air Purifier | User Guide

14. সারাংশ স্বরুপ মেটা ডিসক্রিপশন ব্যবহার করুন

যে কোন পেজের এর মেটা ডেসক্রিপশন অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং ইউজার এক্সপেরিয়েন্স বাড়িয়ে দেয়। একটা আকর্ষনীয় মেটা ডেসক্রিপশন সার্পে বেশি ক্লিক পেতে সহায়তা করে এবং সিটিআর বাড়িয়ে দিবে। সুতরাং কিভাবে ভালো মেটা ডেসক্রিপশন ব্যবহার করা যায় সে দিকে খেয়াল করা উচিৎ।

মেটা ডেসক্রিপশন কে কন্টেন্ট সারাংশ বা সারমর্ম এর মতো করা অপরীহার্য। এতে ভিজিটর এবং গুগুল উভয়ে আপনার কন্টেন্ট সার্চ কৃত কিওয়ার্ডের জন্য রেলেভেন্ট কিনা বা ভিজিটর যা খুজছে তা এখানে আছে। মনে রাখবেন, আকর্ষনীয় মেটা ডেসক্রিপশন > বেস্ট সিটিআর > বেস্ট রাঙ্কিং।

মেটা ডেসক্রিপশনকে আপনি এই ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন যে, কেনো আপনার কন্টেন্ট টা অন্যান্য কন্টেন্ট থেকে ভালো, ভিজিটর কেনো এটাতে ক্লিক করবে, এটাতে ক্লিক করে ভিজিটর কি কি জানতে পারবে যা অন্য কন্টেন্টগুলো থেকে পারবে না।

মেটা ডিসক্রিপশন কখনই কপি করা যাবেনা। খেয়াল রাখবেন আপনার ওয়েবসাইটের প্রত্যেক কন্টেন্ট এর মেটা ডিসক্রিপশন যেন ভিন্ন এবং ইউনিক হয়।

15. প্রশ্ন-উত্তর সংযোজন করুন

ইদানিং ভয়েস সার্চ এর চাহিদা ব্যপক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে ফলে ভিজিটররা যে প্রশ্নগুলি সচরাচর সার্চ করছেন তা আপনার আর্টিকেলে উল্লেখ্য করাটা রাঙ্কিং বৃদ্ধিতে অনেক বেশি ভূমিকা পালন করে। তার জন্য

  • FAQ গুলা ওয়েল অপ্টিমাইজ করুন, ২0 থেকে 50 শব্দের মধ্যে উত্তর প্রদান করুন,
  • পুরো কনটেন্ট কে শর্ট প্রশ্নে ভাগ করুন এবং যথাযথ উত্তর দিন,
  • How, Who, What, Where, When ইত্যাদি প্রশ্নত্তর সংযোজন করুন,
  • সাইট স্পিড আপ রাখুন পাশাপাশি AMP ব্যবহার করতে পারেন,
  • ট্রাডিশনাল ও ভয়েস সার্চের জন্য অপ্টিমাইজ করুন।

16. HTTPS(SSL) নিশ্চিত করুন

আমরা জানি যে, 2014 সাল থেকে HTTPS একটি রাঙ্কিং ফ্যাক্টর হিসেবে পরিচিত। রিসেন্ট এ বিষয়ে গুগল আপডেট ও করছে। আপনার সাইট যদি এখনও HTTP-তে চলমান থাকে তবে এটি স্থানান্তর করা অপরীহার্য। এছাড়াও এটি ইউজার ট্রাস্ট বাড়িয়ে দেয়।

বেশ কিছুদিন আগে, অনেক সাইট HTTP থেকে HTTPS-এ স্থানান্তরিত হয়েছে, তবুও এটি এখনও পাওয়া যায় যে অভ্যন্তরীণ লিঙ্কগুলি HTTP পেজগুলির দিকে রিডায়রেক্ট করে, যা বর্তমান সংস্করণ নয়। এরকম থাকলে তা দ্রুত সমাধান করুন।

HTTPS বিষয়ে গুগল আপডেট কি বলছে দেখুন:- developers.google.com

17. গুগল কে আপনার সাইটের ভার্সন নিশ্চিত করুন

এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি গুগল কে আপনার সাইটের একটি ভার্সনে ইনডেক্স করার অনুমতি দিচ্ছেন। নিম্নোক্ত এই সব আপনার সাইটের বিভিন্ন ভার্সন এবং বাংলায় এসইও চেকলিস্ট এ আপনাকে ১ম টি ব্যবহারের জন্য পরামর্শ প্রদান করতেছি।

  1. https://www.domain.com
  2. https://domain.com
  3. http://www.domain.com
  4. https://domain.com

আপনি একটি non-www বা www ভার্সন করবেন কিনা তা আপনার উপর নির্ভর করে, তবে সবচেয়ে বেটার টি হল https://www.domain.com ভার্সন ব্যবহার করা।

18. ক্রল সমস্যা খুজুন এবং সমাধান করুন

আপনি গুগল সার্চ কনসোলের মাধ্যমে বিদ্যমান যে কোনো ক্রল সমস্যা দ্রুত সনাক্ত করতে পারেন। কভারেজ রিপোর্টে যান এবং আপনি সব সমস্যা এবং এক্সক্লুড পেজ গুলি সতর্কতা সহ দেখতে পাবেন।

আপনি যে কোনো সমস্যা খুজে পেলে তা সমাধান করুন এবং এক্সক্লুড URLগুলির কারণ আরও বিস্তারিতভাবে যাচাই করুন ৷ 404 সমস্যা এবং ভুল ভাবে ক্যানোনিকালাইজ করা পেজ গুলি সহ সব সমস্যা এখানে প্রদর্শিত হতে পারে এবং এই ধরনের সমস্যাগুলি আপনার ওয়েবসাইটের রাঙ্কিং কে নেতিবাচক ভাবে প্রভাবিত করতে পারে। সুতরাং তা সমাধান করুন।

19. সাইটের স্পিড অপ্টিমাইজ করুন

ধীরগতির ওয়েবসাইট গুলি ইউজার এক্সপেরিয়েন্স খারাপ করে। গুগল নিশ্চিত করেছে যে, ইউজার এক্সপেরিয়েন্স অন্যতম রাঙ্কি ফ্যাক্টর। আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার সাইটটি দ্রুত লোড হচ্ছে।

প্রত্যেকেরই সময়ের মূল্য অসীম তাই, কেউ আজকাল ধীর গতির সাইটের জন্য অপেক্ষা করে না। অনেকে বিরক্ত বোধ করে রিটার্ন নিয়ে অন্য কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করে। ফলে আপনার সাইটের সেশন ডিউরেশন এবং বাউন্স রেট ক্ষতিগ্রস্থ হবে। সেই সাথে কোর ওয়েব ভাইটাল সমস্যার সমুক্ষিণ হতে পারেন।

আপনার ওয়েবসাইট মোবাইল ও ডেক্সটপ ভার্সনে কেমন স্পিড তা চেক করতে গুগলের PageSpeed ​​Insights টুল ব্যবহার করতে পারেন। চেষ্ঠা করবেন যেন মোবাইল ও ডেক্সটপ ভার্সনে ৮০ + হয়।

সাইটের স্পিড
সাইটের স্পিড

20. ইন্টারনাল এবং আউটবাউন্ড লিঙ্ক ফিক্স করুন

যে কোন কন্টেন্টে অবশ্যই রিলেটেড পেজ কে ইন্টারনাল এবং আউটবাউন্ড লিঙ্ক প্রদান করতে হবে। আপনি একের অধিক ইন্টারনাল এবং আউটবাউন্ড লিঙ্ক করতে পারবেন। তবে আউটবাউন্ড লিঙ্ক এর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র একটি ডু ফলো দিয়ে বাঁকী গুলো নো ফলো দিবেন। এটি বেস্ট প্রাকটিস।

আপনার সাইটে কোন ব্রোকেন লিংক থাকলে তা দ্রুত সমাধান করুন। কেননা, ব্রোকেন লিঙ্কগুলি ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এর আরেকটি খারাপ সংকেত।

ব্রোকেন লিঙ্কগুলি সহজে খুজে পাওয়ার জন্য সাইট অডিট করুন। লিংক গুলো আপডেট/পরিবর্তন করা পসিবল হলে দ্রুত করে ফেলুন, পার্মানেন্ট রিডায়রেক্ট ও করতে পারেন।

21. আপনার ওয়েবসাইট মোবাইল ফ্রেন্ডলী করুন

মোবাইল ফ্রেন্ডলী হল গুগল র‍্যাঙ্কিংয়ের একটি মূল বিষয়। 2019 সালের মাঝামাঝি থেকে গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে সমস্ত সাইটের জন্য মোবাইল ফার্স্ট ইন্ডেক্সিং এ স্যুইচ করেছে।

আপনি যদি একটি ইউজার কে মোবাইল ফ্রেন্ডলী এক্সপেরিয়েন্স না দেন, তাহলে আপনি দেখতে পাবেন যে এর কারণে আপনার ওয়েবসাইটের রাঙ্কিং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সুতরাং আমাদের এ দিকটার দিকে মনযোগ দিতে হবে।

22. এসইও ফ্রেন্ডলী লিংক (URL) স্ট্রাকচার ব্যবহার করুন

এসইও’র জন্য লিংক (URL) স্ট্রাকচার খুব ই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। লিংক এসইও ফ্রেন্ডলী না হলে রেংকিং পাওয়া অনেক কঠিন। আপনার ওয়েবসাইটের কোন কন্টেন্টের লিংক হতে পারে-

https://freelancermillad.com/ne54df48718?p=10 বা,

https://freelancermillad.com/%E0%A6%9B%E0% অথবা,

https://freelancermillad.com/seo-friendly-link-structure/

আচ্ছা বলুন তো, কোন লিংকটি আপনার কাছে সবচেয়ে সহজ বোধ্য মনে হচ্ছে ? তৃতীয় লিংকটি তাই তো ?

হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন। আপনার কাছে সহজবোধ্য মনে হওয়ার কথা। কারণ আপনি ঐ লিংক দেখলেই আপনি বা ট্রাফিক যে কেউ সহজে বুঝতে পারবেন যে ঐ পেজের মধ্যে কি আছে। তাই আপনার মত সার্চ ইন্জিনের কাছে ও ৩য় লিংকটিই সহজবোধ্য মনে হবে এবং রাঙ্ক পেতে সহায়তা করবে।

কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক স্ট্রাকচার তৈরী করবেনঃ

WordPress এর ক্ষেত্রেঃ আপনার সাইটের ড্যাশবোর্ড (wp-admin) থেকে Settings গিয়ে Permalink এ ক্লিক করে “Post name: yourdomin .com/sample-post/” সিলেক্ট করে দিন এবং পরিবর্তন সেভ করে বের হয়ে যান। নিচের ইমেজটির মতো।

এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক স্ট্রাকচার

WordPress এ আমরা Rank Math এসইও প্লাগিনের মাধ্যমে সহজে লিংক তৈরী করতে পারি। নিচের ইমেজটির মতো।

এসইও ফ্রেন্ডলি লিংক স্ট্রাকচার

WordPress এ আমরা Yoast SEO plugin এর মাধ্যমেও লিংক তৈরী করতে পারি। নিচের ইমেজটির মতো।

কিছু টিপস: 

  1. সাইটের লিংকে আপনার টার্গেটকৃত কীওয়ার্ডটি রাখুন।
  2. পেজের লিংকে নাম দেয়ার সময় হাইফেন ( – ) ব্যবহার করুন।
  3. লিংকে _, !, (), @,$,%,# এই ধরনের অক্ষর ব্যবহার করবেন না। কারন সার্চ ইন্জিন সাধারণত এই ধরনের অক্ষর ইনডেক্স করে না।
  4. ফাইল বা পেজের নাম দেয়ার সময় a,in,or,is,of,to, এমন অক্ষর গুলো ব্যবহার করবেন না। কারণ এগুলোকে সার্চ ইন্জিন সাধারণত “Skipping Word” বলে
  5. ওয়েব পেজের লিংক সর্বদা পরিপাটি রাখবেন।

23. স্ট্রাকচার্ড ডেটা যোগ করুন

যেহেতু গুগল আরও সিমেন্টিক ওয়েব তৈরি করতে চলেছে, স্ট্রাকচার্ড ডেটা মার্কআপ ক্রমশ মূল্যবান হয়ে উঠছে। আপনি যদি ইতিমধ্যেই স্ট্রাকচার্ড ডেটা ব্যবহার না করে থাকেন, তাহলে আপনার উচিত এটি ব্যবহার করা।

প্রকৃতপক্ষে, Schema.org শব্দভান্ডারে মানুষ, স্থান, সংস্থা, স্থানীয় ব্যবসা, পর্যালোচনা এবং আরও অনেক কিছুর জন্য ডেটা গঠনের ফর্ম্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

স্ট্রাকচার্ড ডেটা আপনার অর্গানিক লিস্ট গুলিকে SERP-এ আলাদা হতে সাহায্য করে এবং নীচের উদাহরণে, আপনি পর্যালোচনা স্টার এবং মূল্য উভয়ই দেখতে পাবেন যা ফলাফলকে উন্নত করে।

স্ট্রাকচার্ড ডেটা

24. অস্থায়ী 302 রিডায়রেক্ট চেক করুন

302 রিডায়রেক্ট অস্থায়ী এবং 301 রিডায়রেক্ট স্থায়ী। সুতরাং আমাদের যদি রিডায়রেক্ট করতেই হয় তবে, 301 রিডায়রেক্ট করতে হবে।

302-এর জায়গায় 301 ব্যবহার করা মোটামুটি সাধারণ, এবং Google যখন নিশ্চিত করেছে যে 302s পেজর‍্যাঙ্ক পাস করেছে, তবে সত্যটি রয়ে গেছে যে, যদি একটি 302 রিডায়রেক্ট ভবিষ্যতে কোনো সময়ে রিমোভ করা না হয়, তবে এটি 301-এ আপডেট করা প্রয়োজন।

আপনি সাইট অডিট রিপোর্টে স্পষ্টভাবে হাইলাইট করা যেকোন 302 রিডাইরেক্ট দেখতে পাবেন যেখানে অস্থায়ী রিডাইরেক্ট আছে।

রিডায়রেক্ট

25. ডুপ্লিকেট, মিসিং টাইটেল ট্যাগগুলি খুজুন এবং ঠিক করুন

অপ্টিমাইজ করা টাইটেল ট্যাগ এসইও বেসিকগুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আসলে, এগুলো প্রায়ই প্রথম জিনিস যা, কোনো একটি পেজ রাঙ্ক করতে সাহায্য করবে. টাইটেল ট্যাগগুলি সার্চ ইঞ্জিনগুলিকে পেজ সম্পর্কে জানায় এবং ব্যবহারকারী yoru পৃষ্ঠাতে ক্লিক করবে কিনা তা প্রভাবিত করে৷

ডুপ্লিকেট টাইটেল ট্যাগ এড়িয়ে চলুন। আদর্শভাবে আপনার সাইটে ডুপ্লিকেট কিছু থাকা উচিত নয় এবং টাইটেল গুলি যথেষ্ট নির্দিষ্ট হওয়া উচিত যাতে ইউজাররা সহজে বুঝতে পারে যে তারা কোন ধরনের পেজ ভিজিট করতে চলেছে।

এছাড়াও খুব বড়/লম্বা টাইটেল এড়িয়ে চলুন, কারণ সেগুলি SERPs-এ কেটে ফেলা হবে। সাধারণত, 70 অক্ষরের বেশি টাইটেল ট্যাগ কেটে দেওয়া হয়ে থাকে এবং থ্রি ডট(…) এর মতো দেখাবে। যা অত্যন্ত খারাপ দিক।

আপনাকে খুজে বের করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে টাইটেল ট্যাগগুলি মিসিং আছে কিনা। এই সমস্ত সমস্যাগুলি সাইট অডিট রিপোর্টের সমস্যা বিভাগে ফ্ল্যাগযুক্ত পাওয়া যেতে পারে এবং আপনার পেজের টাইটেল ট্যাগগুলি আপডেট করে ঠিক করা যেতে পারে।

মিসিং টাইটেল ট্যাগ

26. H ট্যাগ নিশ্চিত করুন

প্রাথমিকভাবে, কোন পেজে শুধুমাত্র একটি H1 হয়ে থাকে, আর তা হচ্ছে টাইটেল। অনেকে একাধিক H1 ব্যবহার করে থাকে যা, খারাপ দিক এবং তা সার্চ ইঞ্জিন কে ম্যানিপুলেট করে। H1 ট্যাগে একটি পেজের প্রধান টার্গেটেড কীওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, তাই আপনি সঠিক বিষয়বস্তু ট্যাগ করছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে ভুলবেন না।

গুরুপ্তপূর্ন পয়েন্টস গুলোকে আপনি H2 ট্যাগে একের অধিক ব্যবহার করেন কোন সমস্যা নেই। আবার পয়েন্টস এর সম্যতা অনসারে H2 থেকে H6 পর্যন্ত ব্যবহার করেন। প্রয়োজনে সাইট অডিট করে H ট্যাগ জনিত সমস্যা নিশ্চিত করে সমাধান করুন।

27. ইমেজের টাইটেল এবং অল্ট ট্যাগ ব্যবহার করুন

সর্বদা ইমেজ অপ্টিমাইজেশনে মনোযোগ দিন। রাঙ্কিংয়ে এটির গুরুপ্ত অপরিসীম। ইউজাররাও টেক্সট কন্টেন্টের পাশাপাশি ইমেজ পছন্দ করে। সুতরাং কন্টেন্টের টাইটেল অনুসারে টাইটেল এবং অল্ট ট্যাগযুক্ত ইমেজ ব্যবহার করতে হবে।

ইমেজের টাইটেল এবং অল্ট ট্যাগ

আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার সাইটের প্রতিটি পেজের প্রধান ইমেজ গুলি বিষয়বস্তুকে সঠিকভাবে বর্ণনা করতে টাইটেল এবং অল্ট ট্যাগ ব্যবহার করছেন।

ইমেজের টাইটেল এবং অল্ট ট্যাগ

28. কীওয়ার্ড ক্যানিবালাইজেশন ইস্যু খুজুন এবং সমাধান করুন

কীওয়ার্ড ক্যানিবালাইজেশন হল সবচেয়ে ভুল বোঝাবুঝি এসইও ধারণাগুলির মধ্যে একটি। কীওয়ার্ড ক্যানিবালাইজেশন ঘটে যখন একই সাইটের একাধিক পেজ একই কীওয়ার্ডের জন্য র‍্যাঙ্ক করে এবং একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে।

ধরা যাক, আপনি বাংলায় এসইও চেকলিস্ট লিখে গুগলে সার্চ করলেন এবং কোন একটি সাইটের দুটি পেজ দেখতে পেলেন। আপনার কাছে বাংলায় এসইও চেকলিস্ট কিওয়ার্ডটির জন্য দুটি পৃষ্ঠার র‍্যাঙ্কিংয়ে রয়েছে। যার মধ্যে একটি পুরনো পেজ অন্যটি নতুন পেজ।

গুগল যে পেজটিকে পছন্দ করবে, প্রয়োজনে সেই পেজে ঐ দুটি পেজের সমস্ত ইনফরমেশন যুক্ত করে আপডেট করুন। নতুবা ভিজিটর ও কনফিউনে পড়তে পারে। আর এটি না করলে গুগল আপনার সাইটে ডুপ্লিকেট টাইটেল/কন্টেন্ট দেখিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

29. অর্ফানেড(এতিম) পেজগুলি খুজুন এবং ঠিক করুন

হাঁসবেন না, আমি এগুলোকে এতিম/অনাথ পেজ হিসেবে মনে করি। আমরা অনেকে ব্লগিংয়ের শুরুতে এমন সব আজব কন্টেন্ট লিখি যা কোন কাজের না, সাইট ভিজিট করলে শুধু কন্টেন্ট আর কন্টেন্ট। যা গুগলের কাছে মূল্যহীন। এটা ভুলবসত হতেও পারে।

মানে আমি বুঝাতে চাচ্ছি, অর্ফানেড(এতিম) পেজ সেইগুলি- যে গুলো ক্যাটাগরী বিচ্ছিন্ন, এই পেজ গুলো রাঙ্কও করছে না, আবার ইউজার ট্রাস্ট ও পাচ্ছে না। মোট কথায় এগুলো ফ্রিজ হয়ে গেছে। এমনটাও তো হতে পারে গুগল এগুলোকে মূল্যহীন কন্টেন্ট ভেবে সাইট কে চাঁদের দেশে পাঠিয়েছে।

এধরনের পেজ গুলোর জন্য পুনরায় রিসার্স করতে হবে। কেন রাঙ্ক করছে না তা খতিয়ে দেখতে হবে। যদি মনে হয় যে এগুলো আপডেট করলে রাঙ্ক পসিবল তাহলে আপডেট করতে হবে অন্যথায় রিমোভ করে স্টোরেজ বাঁচানো বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

30. কন্টেন্ট আপ টু ডেট নিশ্চিত করুন

স্বাভাবিক ভাবে, আজ যা নতুন, কিছুদিন পর তা পুরাতন।এমনকি কিছুদিন পর তা আউড ডেটেড হয়ে যায়। আমাদের প্রত্যেকের উচিত পুরনো কন্টেন্ট গুলোকে নির্দিষ্ঠ সময় পর পর আপডেট করা। হোক তা মাসিক, ষান্মাসিক কিংবা বাৎসরিক।

এতে কোন পেজ কে দীর্ঘ দিন রাঙ্কিংয়ে ধরে রাখতে অভুতপূর্ব ভুমিকা পালন করে। কন্টেন্ট আপডেটের মধ্যে অন্যতম বিষয় ‍গুলো হচ্ছে টাইটেল, মেটা ডিসক্রিপশন, এইচ ট্যাগ, ইনফো এড ইত্যাদি।

পুরনো ব্লগ পোস্টগুলি আপডেট করা সবচেয়ে কার্যকর এসইও কৌশলগুলির মধ্যে একটি।

31. কম্পিটিটরদের ব্যাকলিংক প্রোফাইল বিশ্লেষণ করুন

যদি আপনার কম্পিটিটরদের ব্যাকলিংক প্রোফাইলের বিশ্লেষন না করেন, তাহলে আপনি কীভাবে তাদের বিট করার পরিকল্পনা করতে পারেন? তারা কোন কোন সাইটে লিংক তৈরী করছে আপনিও তা করুন, তাদের থেকে পরিমানে বেশি করার চেষ্টা করুন। তা যেন মানসম্মত হয়।

কথায় আছে, ভাল জিনিসের বেশি লাগে না, অল্পতে হয়।

সুতরাং কোয়ালিটি মাথায় রেখে ব্যাকলিংক প্রোফাইল শক্ত করুন। সেই সাথে নিত্য নতুন লিংক তৈরীতে মনযোগ রাখুন। একটি মানসম্মত ব্যাকলিংক প্রোফাইল তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ।

32. সোস্যাল মিডিয়ায় পদচারনা অব্যাহত রাখুন

সোস্যাল মিডিয়া আপনার সাইটের ট্রাফিক এবং ইনকাম বাড়াতে গুরুপ্তপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া সার্চ ইঞ্জিন গুলো সোস্যাল মিডিয়া ট্রাফিক কে মূল্যায়ন করে। এছাড়াও অথরীটি ক্রিয়েট করতে এটির গুরুপ্ত অনেক।

সাধারণত আমরা কোন পোস্ট পাবলিশ করে তা ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, পিনটারেস্ট ইত্যাদি সোসাল সাইটে শেয়ার করি। কিন্ত এছাড়া অনেক সোস্যাল সাইট আছে যেগুলোতে আমরা পোস্ট শেয়ার করতে পারি। আমি কিছু সোস্যাল মিডিয়া সাইট লিংক শেয়ার করলাম।

  1. Facebook
  2. Twitter
  3. LinkedIn
  4. YouTube
  5. Pinterest
  6. Instagram
  7. Tumblr
  8. Flickr
  9. Reddit
  10. Quora
  11. Mix
  12. Medium
  13. Digg
  14. Triller
  15. Periscope
  16. Elpha
  17. Houseparty
  18. Steemit
  19. Academia
  20. Dulwich OnView

এই বাংলায় এসইও চেকলিস্ট এ আপনার জন্য পরামর্শ হলো আপনারা যে কোন সোস্যাল মিডিয়া সাইটে প্রোফাইল তৈরী করে সাথে সাথে লিংক তৈরী করবেন না। কিছুদিন ইনফো শেয়ার করে প্রোফাইলের রিচ বাড়ান, ট্রাস্ট অর্জন করুন, তারপর লিংক শেয়ার করবেন। তাহলে পোফাইল নষ্ঠ হওয়ার সমস্যা থাকবে না।

33. গুগল বিজনেস প্রোফাইল (GBP) সেট আপ এবং অপ্টিমাইজ করুন

কোন ওয়েবসাইট রাঙ্কিংয়ে এটি অন্যতম ফ্যাক্টর। আপনি নির্দিষ্ঠ কোন লোকেশন টার্গেটেড কোন ব্লগ, সার্ভিস বা ব্যবসা পরিচালনা করেন তাহলে গুগল বিজনেস প্রোফাইল নিশ্চিত করুন। এটি আপনার অডিয়েন্স কে ট্রাস্ট বাড়িয়ে দিবে।

সুতরাং কোন ওয়েবসাইট শুরু করার জন্য প্লানিং করতেছেন তাহলে গুগল বিজনেস প্রোফাইল কে অর্ন্তভুক্ত করুন।

উপসংহার

প্রকৃতপক্ষে, বাংলায় এসইও চেকলিস্ট এর শেষ বলতে কিছু নেই। আরো অনেক অনেক পয়েন্টস আছে। লিখতে চাইলে আরো কয়েকদিন লাগবে। কিন্তু আমি আশা করছি যে, বাংলায় এসইও চেকলিস্ট এ আপনাকে গুরুপ্তপূর্ণ পয়েন্টস গুলো শেয়ার করতে পারছি এবং ভবিষ্যতে আরও তথ্য পূর্ণ আর্টিকেল শেয়ার করবো। ভুল-ভ্রান্তি ক্ষমা করবেন আর কোথাও না বুঝলে নিচে কমেন্টস করুন, রিপ্লাই করা হবে।

2 Comments on “বাংলায় এসইও চেকলিস্ট (SEO Checklist) | আপডেট লিস্ট 2022”

  1. ধন্যবাদ ভাই এতো ইনফরমেটিভ আর এত বড় আর্টিকেল পাবলিশ করার জন্য।আর্টিকেল এর পাশাপাশি আপনার ভিডিও চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *